কারাগারে-রেখে-উইঘুর-গণহত্যার-নীতি-চীনের

কারাগারে রেখে উইঘুর গণহত্যার নীতি চীনের!


ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী উইঘুরদের কারাগারে আটকে রেখে গণহত্যা করার নীতি বেছে নিয়েছে চীন সরকার।


Hostens.com - A home for your website

ওয়াশিংটনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা তুর্কিস্তান ন্যাশনাল এ্যাওয়াকেনিং মুভমেন্টের পরিচালক কেইল ওলবার্ট এমন তথ্য জানিয়েছেন। সংস্থাটি জিনজিয়াংয়ের স্বাধীনতা নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, উইঘুরদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা যেন পৌরাণিক কাহিনীর সেই ‘বয়েলিং ফ্রগের’ মতো। যেখানে বলা হয়েছে- তপ্ত পানিতে ব্যাঙ রাখলে সেটি তাৎক্ষণিক লাফ দিয়ে উঠে আসবে। কিন্তু সেটিকে বুঝতে না দিয়ে উষ্ণ পানিতে রেখে আস্তে আস্তে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে পরিণতি থেকে সে আর বেরিয়ে আসতে না পারে।-খবর আল-জাজিরার

উইঘুরদের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি রাখার আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করে ওই মানবাধিকার কর্মী আরও বলেন, চীনারা যদি দিনে ১০ হাজার উইঘুরকে হত্যা করে, তবে তা বিশ্ববাসীর নজরে চলে আসবে। কিন্তু প্রত্যেককে যদি কারাগারে আটক রাখে, প্রাকৃতিকভাবে তারা মৃত্যুবরণ করেন, তা বিশ্ববাসীর চোখ তা এড়িয়ে যাবে।

উইঘুরদের নাই করে দিতে এভাবেই নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাচ্ছে চীন সরকার বলে কেইল ওলবার্ট মনে করেন।

প্রথমে বন্দিশিবির থাকার কথা অস্বীকার করেছিল চীন সরকার। এরপর বন্দিরাখার নীতিকে দেশটি এই বলে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করেছে যে, তাদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

মুসলমানরা যাতে উগ্রপন্থার নীতি থেকে সরে আসেন এমন শিক্ষা দিতেই তারা এই নীতি অবলম্বন করেছেন বলে জানিয়েছেন চীনারা।

২০০৯ সালে জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে দাঙ্গায় শত শত লোক নিহত হয়েছেন। উইঘুরদের প্রতি চীনারা যে নীতি অবলম্বন করছে, তাকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী হতে যাওয়া বেইজিংকে প্রতিদ্বন্দ্বী পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে কোনো সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে না।

Facebook Comments

" বিশ্ব সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ

Web Hosting and Linux/Windows VPS in USA, UK and Germany

Visitor Today : 71

Visitor Yesterday : 94

Unique Visitor : 145130
Total PageView : 152191