২০১৭-সালের-ডিসেম্বরে-বাংলাদেশে-ইন্টারনেট-ব্যবহারকারীর-সংখ্যা-৮-কোটি-৩-লাখ-ছাড়িয়ে-গেছে

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে


এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে চীন । এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পঞ্চম। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০০০ সালে ১৩ কোটি ১৫ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল মাত্র ১ লাখ।


Hostens.com - A home for your website

এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন চীনের নাগরিকেরা। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বৃদ্ধির হার ৮০ হাজার ৩৮৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটাস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লি থেকে এ খবর দিয়েছে ডাটালিডস।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০০০ সালে ১৩ কোটি ১৫ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল মাত্র ১ লাখ। অর্থাৎ ১৭ বছরে ৩ কোটি মানুষ বাড়লেও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৮ কোটিরও বেশি।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৭৭ কোটি ২০ লাখ। এর পরেই রয়েছে ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানের অবস্থান। তারপরই আছে বাংলাদেশ।

ডাটা লিডসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এক সময় চীনে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ কোটি ২০ লাখে। চীনের ইন্টারনেটের সহজপ্রাপ্যতা শতকরা ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ।

বিশ্ব এখন আছে ডিজিটাল যুগে। সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এ কারণে, বিশ্বের প্রায় সব অংশ সম্পৃক্ত হয়েছে ইন্টারনেটে। আর তাই বেড়ে চলেছে ইন্টারনেটের ব্যবহারকারীর সংখ্যা। এ ক্ষেত্রে গত ১০ বছরে অস্বাভাবিক হারে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে এশিয়ায়। ভারতে গত এক দশকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৫০ লাখ থেকে বেড়ে ২০১৭ সালে দাঁড়িয়েছে ৪৬ কোটি ২০ লাখে। এ বছরের শেষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ কোটিতে দাঁড়াতে পারে।

গত দশকে ইন্দোনেশিয়াতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০ লাখ থেকে বেড়ে ১৪ কোটি ৩০ লাখে দাঁড়িয়েছে। আর জাপানে তা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮০ লাখে। ফিলিপাইনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৬ কোটি ৭০ লাখ এবং ভিয়েতনামে ৬ কোটি ৪০ লাখ। থাইল্যান্ডে গত ১০ বছরে ইন্টারনেট সুবিধা পেয়েছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ মানুষ।

২০০০ সালে এ ক্ষেত্রে জাপান ছিল ১ নম্বরে। আর দক্ষিণ কোরিয়া ছিল ২ নম্বরে। বর্তমানে সেখানে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছেছে ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের কাছে। এক দশক আগে পাকিস্তানে ইন্টারনেট সুবিধা পেতেন এক লাখ ৩০ হাজার মানুষ। গত বছর শেষ নাগাদ সেখানে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে ইন্টারনেট।


ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বৃদ্ধির দিক থেকে বাংলাদেশের পরেই আছে নাইজেরিয়ার অবস্থান। দেশটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বৃদ্ধির হার ৪৯ হাজার ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে ৩১ হাজার ৯০০ শতাংশ বৃদ্ধির হার নিয়ে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।

এদিকে সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তাদের ওয়েবসাইটে জানায় বাংলাদেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ৫ লাখ। বিটিআরসি আগস্ট মাস পর্যন্ত হালনাগাদ করে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এদের মধ্যে ৮ কোটি ৪৭ লাখ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, ৫৭ লাখ ৩৩ হাজার ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারী এবং বাকি ৮৩ হাজার ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারকারী। জুলাই মাসের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ৮৯ লাখ।

Facebook Comments