সারা দেশে নৌকার জোয়ার উঠেছে। সেই জোয়ারের কারণেই মহাজোটের প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা ’৭৫–এর পরে সামরিক শাসন মদদপুষ্ট সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী বিএনপির রাজনীতির ধারার

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন আনন্দ মিছিল করার সময় নয়, দেশ গঠনের সময়। কোনো জায়গায় কেউ আনন্দ মিছিল করবেন না। রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ

নিরাপত্তার অভাবে ভোটকেন্দ্রে যাননি সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাওলা রনি। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকেই ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া রনির দাবি, তাকে বাসার বাইরে বের হতে দেয়নি প্রশাসন।

নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘মিনিটে মিনিটে চারদিক থেকে ফোন আসছে। দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এমন অবস্থা।

কেন্দ্রে মোট ভোট দুই হাজার ৭৫২টি। ভোট পড়েছে ২ হাজার ৫১৯টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৮টি। বাকি দুই হাজার ৫১১ ভোটের সবই পড়েছে নৌকা প্রতীকে।

বেলা ১২টা। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে যেতেই চোখে পড়ল ভোটার শূন্য মাঠ। কেন্দ্রের ভেতর গিয়ে দেখা গেল নারী ভোটারদের কক্ষে সাত থেকে আটজন যুবক।

বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে জাতির সঙ্গে নিষ্ঠুর প্রহসন। এ ধরনের নির্বাচন জাতির জন্য ক্ষতিকর। এই ক্ষতি দীর্ঘকালের। এই নির্বাচনে জাতির

সর্বাধিক পঠিত সংবাদগুলো